শিরোনাম :

অদম্য জামাল হোসেন নিজ উদ্দেগে তৈরি করলেন সেলুন পাঠাগার

Category : অর্থনীতি | Sub Category : অর্থনীতি Posted on 2019-06-25 06:03:47


অদম্য জামাল হোসেন নিজ উদ্দেগে তৈরি করলেন সেলুন পাঠাগার

জামাল হোসেন সম্পুর্ন আদিতমারী উপজেলার প্রতিটি সেলুনের দোকানে ২০ টি করে বই দিয়ে প্রতিটি দোকানের ভিতরে তৈরি করেছেন সেলুন পাঠাগার।

আদিতমারী উপজেলায় ৪০ টির বেশি দোকানে তিনি নিজ অর্থায়নে ৬০০ র বেশি বই দিয়েছেন।জামাল হোসেন,সবার কথা.কম কে বলেন,আমি চাই আমার সম্পুর্ন আদিতমারীর জনগন নিরক্ষর মুক্ত থাকুক,তাদের মধ্যে যেনো অক্ষর জ্ঞান প্রতিষ্ঠা পায়।সেলুনের দোকানে তিনি বই রাখার জন্যে নিজ অর্থায়নে আলমারি বানিয়ে দিয়েছেন। যাতে করে এখানে বই রাখতে পারে আর সাধারন মানুষ সেলুন করতে এসে অবসর সময় বই পরতে পারেন।

জামাল হোসেন বলেন,আমি দেখেছি মানুষ যখন সেলুনে চুল কাটাতে যান তখন তারা অনেক ক্ষন ধরে সেলুনের দোকানে বসে থাকে। আমি চিন্তা করেছি এই অবসর সময়ে যেনো তারা বই পরে সময় কাটাতে পারে এবং কিছু শিখে উপকৃত হতে পারে।

সেলুনের মালিকরা বলেছেন, জামালের এই কাজকে আমরা স্বাগতম জানাই,সে সেজেনো সারাদেশে এরকম আরো ভালো কাজ করতে পারে।

জামাল হোসেনের এই কার্যকর্মের জন্যে সম্পুর্ন উপজেলা বাসীর অনেক সাড়া পেয়েছেন এবং তার জন্যে শুভকামনা পাঠাচ্ছেন।

জামাল হোসেন এর আগে ২০১৬ সালে তৈরি করেন “সারপুকুর যুব ফোরাম পাঠাগার”নামে একটি পাঠাগার,এখানে এসে সব ধরনের মানুষ বই পড়ে থাকেন।

জামাল হোসেন বলেন,সরকার যদি আমাকে সাহায্যে করতেন তাহলে আমি সারাদেশে এরকম আরো অনেক কাজ করতে পারতাম।

জামালের মতো যদি সবাই নিজ উদ্দেগে এরকম কাজ করে তাহলে আমাদের দেশে কোনো অক্ষরজ্ঞানহীন মানুষ থাকবেনা।

এমএইচএম-৬৭/সকডক

আপনার মতামত লিখুন: