অজানা রোগে মরছে গরু ও কুকুর-বিড়াল

নেত্রকোনা জেলার খালিয়াজুরী উপজেলায় অজ্ঞাত রোগে মরছে গরু ও কুকুর-বিড়াল।

গেল পাঁচ দিনে উপজেলার, লক্ষ্মীপুর, কাদিরপুর, আয়াতপুর, রসূলপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে গৃহপালিত পশুসহ প্রায়৩০টি কুকুর-বিড়াল মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।এলাকাবাসী প্রথমে বিষয়টিকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে ধরে নিলেও একাধিক প্রাণী মারা যাওয়ায় এলাকাবাসী বিষয়টিকে অজ্ঞাত রোগ হিসেবে দেখছেন।একেতো করোনাভাইরাসের আতঙ্ক পাশাপাশি এই বিষয়টি নিয়ে তারা আরও বেশি চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।তবে এ বিষয়ে সরজমিনে পরিদর্শনের পরেই ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন খালিয়াজুরী উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম।খালিয়াজুরী গ্রামের মো. এনামুল হক নয়ন বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে গরু-বাছুরের শরীরে  এক ধরনের চর্মরোগ দেখা দিয়েছে। এসব মৃত গরুর মাংস খেয়েও কুকুরগুলো মরতে পারে।খালিয়াজুরী সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদ সদস্য গোলাম আবু ইছহাক আরটিভি অনলাইনকে জানান, এই চার-পাঁচ দিনে প্রায় ২০ থেকে ২৫ টি কুকুর অজানা রোগে মারা গেছে। মৃত প্রাণীর কারণে এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে।  নিজে উদ্যোগী হয়ে এলাকার যুবকদের সঙ্গে নিয়ে কিছু মৃত কুকুরকে মাটিচাপা দিয়েছি।এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ফয়জুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমি এ ঘটনাটি প্রথম শুনলাম। এটি কোনও ভাইরাসের আক্রমণে হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি আমরা সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচএম আরিফুল ইসলাম বলেন, কুকুর- বিড়াল মারা যাওয়ার পেছনের কারণ উদঘাটনে উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে। প্রয়োজনে প্রাণী বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সমন্বয় করতে বলা হয়েছে। এছাড়াও সকল মানুষকে কুকুর-বিড়াল থেকে সাবধানে থাকতে বলা হয়েছে। মারা যাওয়া কুকুর- বিড়ালগুলোকে মাটিচাপা দেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। জেলার খালিয়াজুরী উপজেলায় অজ্ঞাত রোগে মরছে গরু ও কুকুর-বিড়াল।

গেল পাঁচ দিনে উপজেলার, লক্ষ্মীপুর, কাদিরপুর, আয়াতপুর, রসূলপুরসহ বিভিন্ন গ্রামে গৃহপালিত পশুসহ প্রায় ৩০টি কুকুর-বিড়াল মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে।এলাকাবাসী প্রথমে বিষয়টিকে স্বাভাবিক মৃত্যু বলে ধরে নিলেও একাধিক প্রাণী মারা যাওয়ায় এলাকাবাসী বিষয়টিকে অজ্ঞাত রোগ হিসেবে দেখছেন।একেতো করোনাভাইরাসের আতঙ্ক পাশাপাশি এই বিষয়টি নিয়ে তারা আরও বেশি চিন্তিত হয়ে পড়েছেন।তবে এ বিষয়ে সরজমিনে পরিদর্শনের পরেই ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন খালিয়াজুরী উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম।খালিয়াজুরী গ্রামের মো. এনামুল হক নয়ন বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে গরু-বাছুরের শরীরে  এক ধরনের চর্মরোগ দেখা দিয়েছে। এসব মৃত গরুর মাংস খেয়েও কুকুরগুলো মরতে পারে।খালিয়াজুরী সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদ সদস্য গোলাম আবু ইছহাক আরটিভি অনলাইনকে জানান, এই চার-পাঁচ দিনে প্রায় ২০ থেকে ২৫ টি কুকুর অজানা রোগে মারা গেছে। মৃত প্রাণীর কারণে এলাকায় দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ছে।  নিজে উদ্যোগী হয়ে এলাকার যুবকদের সঙ্গে নিয়ে কিছু মৃত কুকুরকে মাটিচাপা দিয়েছি।এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. ফয়জুর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আরটিভি অনলাইনকে বলেন, আমি এ ঘটনাটি প্রথম শুনলাম। এটি কোনও ভাইরাসের আক্রমণে হয়ে থাকতে পারে। বিষয়টি আমরা সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।খালিয়াজুরী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ এইচএম আরিফুল ইসলাম বলেন, কুকুর- বিড়াল মারা যাওয়ার পেছনের কারণ উদঘাটনে উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করা হয়েছে। প্রয়োজনে প্রাণী বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে সমন্বয় করতে বলা হয়েছে। এছাড়াও সকল মানুষকে কুকুর-বিড়াল থেকে সাবধানে থাকতে বলা হয়েছে। মারা যাওয়া কুকুর- বিড়ালগুলোকে মাটিচাপা দেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।