স্বাস্থ্যগুণ এবং সৌন্দর্যবর্ধক উপাদান হিসেবে তেজপাতা

তেজপাতার স্বাস্থ্যগুণ এবং সৌন্দর্যবর্ধক উপাদান সম্পর্কে স্বাস্থ্যবিষয়ক এক ওয়েবসাইটে জানানো হয়, এই সুগন্ধি পাতা ‘পারফিউম’ তৈরিতে ব্যবহৃত হওয়ার পাশাপাশি, বিভিন্ন ঔষধি এবং ভেষধ উপাদানযুক্ত ‘বে লিফ এসেনসিয়াল অয়েল’য়েও ব্যবহৃত হয়।

রান্নার স্বাদ বাড়াতে তেজপাতার জুড়িমেলা ভার তা কে না জানে কিন্তু জানেন কী ডায়বেটিস কমাতেও তেজপাতা খুবই উপকারি। এছাড়াও তেজপাতার রয়েছে হাজারও গুণ। সাধারণত তাজা এবং শুকনা এই দুই অবস্থায় পাওয়া যায় তেজপাতা। কিছু দোকানে তেজপাতার গুঁড়াও মেলে । তাহলে জেনে নিন তেজপাতার অন্যান্য গুণাগুণ সম্পর্কে ।

তেজপাতার স্বাস্থ্যগুণ:

  • তেজপাতা শরীরের হজমপ্রক্রিয়াকে দ্রুত করার মাধ্যমে খাবারের পুষ্টি উপাদানগুলো ভালোভাবে পরিপাক করতে সহায়তা করে।
  • সর্দিকাশি, কফ এবং ফ্লু থেকে মুক্তি পেতে তেজপাতা সিদ্ধ করে খেতে কিংবা বুকে মাখা যেতে পারে।
  • তেজপাতা উপকারি কোলেস্টেরলের পরিমাণ বাড়ায়।
  • ব্যথাযুক্ত জোড়া কিংবা টান পড়া মাংসপেশিতে তেলটি মালিশ করতে পারেন।
  • কিডনির বিভিন্ন প্রদাহ রুখতে তেজপাতা পানিতে সিদ্ধ করে খেলে উপকার মিলবে।
  • ফাঙ্গাল ইনফেকশন কমাতে ও কাটা-ছড়া-ঘা সারাতেও খুবই কার্যকর।
  • রক্তে শর্করার পরিমাণ কমায়।
  • তেজপাতার ধোঁয়ার গন্ধে উত্তেজনা নিয়ন্ত্রণে আসে।
  • হজমশক্তি বাড়ায়।
  • শরীর থেকে টক্সিন বের করে দেয়।
  • তেজপাতায় রয়েছে রুটিন ও ক্যাফেক অ্যাসিড। এগুলি হার্টের স্বাস্থ্য ভাল রাখে।
  • এক টুকরা পরিষ্কার কাপড়ে গুঁড়া তেজপাতা কুসুম গরম পানিতে কিছুক্ষণ ডুবিয়ে রেখে, এই পানি দিয়ে গোসল করুন গায়ের দুর্গন্ধ দূর হয়ে যাবে।

গরম জলে কয়েকটি তেজপাতা ফুটিয়ে নিন। জল ঠান্ডা করে প্রতিদিন এক গ্লাস করে খান। দেখবেন উপকার পাবেন।

এছাড়াও রূপচর্চার জন্যও তেজপাতার ব্যবহার অতুলনীয়। তেজপাতা সিদ্ধ পানি ঠাণ্ডা করে তা দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন। ত্বক ফর্সা করার পাশাপাশি এই মিশ্রণ ব্রণ শুকাতেও সহায়ক। উজ্জ্বল দাঁত পেতে সপ্তাহে কয়েকবার দাঁতে তেজপাতা ঘষা যেতে পারে।