সৌরবিদ্যুত ব্যবহারে বছরে বাঁচবে ৫ হাজার কোটি টাকা

নতুন প্রত্যাশা নিয়ে যাত্রা শুরু হয়েছে নতুন বছরের।বাংলাদেশের সামনে অন্তত ১৫টি খাতকে দ্রুত উন্নতির ক্ষেত্র হিসেবে দেখছে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়।

সেসব খাতের অগ্রযাত্রা এবং ভবিষ্যতে সম্ভাবনার দুয়ারগুলো নিয়ে নববর্ষে বৈশাখীর মাসব্যাপী ধারাবাহিক আয়োজনে, আজ পড়ুন নবায়নযোগ্য জ্বালানী খাত নিয়ে দুটি প্রতিবেদনের প্রথমটি।বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি হিসেবে সৌরবিদ্যুত এরই মধ্যে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।শহর কিংবা গ্রাম, বিশেষ করে চরাঞ্চল ও দুর্গম এলাকায় বাড়ছে এর ব্যবহার। কোথাও কোথাও আশার আলো ছড়াচ্ছে প্রাকৃতিক এই উৎস। এর উৎপাদন খরচও তুলনামুল কম। তাই দেশে সৌর বিদ্যুতের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। এরইমধ্যে দেশের ৬৮ লাখ বাড়িঘরে বসেছে সোলার হোম সিস্টেম।বাংলাদেশে বছরে তিন’শ দিনের বেশি রোদ থাকায় এখানে সৌর বিদ্যুত খাত নিয়ে আশাবাদী বিশেষজ্ঞরা।পাশাপাশি কার্বণ নিঃসরণ করে না এমন পরিবেশ বান্ধব ও টেকসই জ্বালানী ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানীকে অন্যতম বিকল্প মনে করছেন তারা।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে তেল ও কয়লার ব্যবহার ২০ শতাংশ কমিয়ে আনতে চায় সরকার। যার ফলে বছরে অন্তত ৯৫ মিলিয়ন টন তেলের সমপরিমাণ জ্বালানি সাশ্রয় হবে।বছরে আর্থিক সাশ্রয় হবে পাঁচ হাজার একশ কোটি টাকা।এই লক্ষ্য সামনে রেখে সৌর, বায়ু, জল ও বর্জ্যসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির পুরো ব্যবস্থাপনা টেকসই করতে উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।তবে নীতিগত জটিলতা থাকায় এই খাতে কাঙ্খিত বিনিয়োগ হয়নি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।এক্ষেত্রে সাফল্য পেতে হলে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়ানো জরুরি বলে মনে করেন তারা।নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত টেকসই করতে দেশে দক্ষ জনবল তৈরি, সেই সাথে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করায় জোর দিচ্ছেন জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।