যত ক্ষমতাবানই হোক আইনের আওতায় আনা হবে সাহেদকে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সাহেদ যত ক্ষমতাবানই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে নিজ বাসভবনে  ডিবিসি নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা জানান। এ সময় তিনি আরো জানান, অপরাধ করে ফোন দিলে কোনো কাজ হবে না। অপকর্মের সাজা পেতেই হবে।’

রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদের যেসব অপরাধের অভিযোগ উঠেছে সেগুলোর তদন্ত চলছে জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘র‌্যাব এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে, তদন্ত শেষে রহস্য উদঘাটন হলে জানা যাবে সে কতটা দুর্নীতি করেছে কার সঙ্গে কিভাবে প্রতারণা করেছে। তখন সব গণমাধ্যমের কাছে তুলে ধরা হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, ‘সে যদি প্রকৃত অপরাধী হয় তাহলে তাকে ছাড় দেয়ার প্রশ্নই আসে না।’ গা ঢাকা দিলেও আইনশৃঙ্খইলা বাহিনীর সদস্যরা সাহেদকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এর আগে, করোনা টেস্টের জাল সনদ সরবরাহ এবং টেস্ট ও চিকিৎসায় অতিরিক্ত টাকা আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে রিজেন্ট হাসপাতালে অভিযান চালায় র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় র‌্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের উপস্থিতিতে হাসপাতালটির উত্তরা ও মিরপুর শাখা সিলগালা করে দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।

এরপর, সরকারের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ করাসহ নানা প্রতারণার খবর বেরিয়ে আসতে শুরু করে। পরে, মোহাম্মদ সাহেদের দেশ ত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ইমিগ্রেশনে চিঠি দেয় পুলিশ। এছাড়া  রিজেন্ট হাসপাতাল ও মোহাম্মদ সাহেদ এবং তার সংশ্লিষ্ট সকল ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ৩০ দিনের জন্য স্থগিত রাখতে সকল ব্যাংককে নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট।

গেল ৭ জুলাই বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে ৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাহেদসহ ৯ জন এখনও পলাতক।