বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৫৯তম জন্মজয়ন্তী

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একশ’ উনষাটতম জন্মজয়ন্তী আজ।

বিশ্বময় এই সংকটেও গভীরভাবে প্রাসঙ্গিক তিনি। কারণ কবিগুরুর সমস্ত সৃষ্টিতেই জীবনবোধ, প্রকৃতিপ্রেম, সমাজ ও স্বদেশ চেতনার অনন্য প্রকাশ ঘটেছে। বাঙালির জীবনের এমন কোন দিক পাওয়া যায় না, যেখানে তাঁর সৃষ্টিশীলতার পরশ নেই।

বিশ্ববাসীর এখনকার এই প্রার্থনাই যেন সার্ধশত বছর আগে কবিগুরু যেন তার সৃষ্টির মধ্যে তুলে ধরেছিলেন। তাই তো রবিন্দ্রনাথের গান, কবিতা খুবই প্রাসঙ্গিক হয়ে যায় যাপিত জীবণের সাথে।

করোনা ভাইরাস যখন ভয় আর আতঙ্ক গ্রাস করে মনকে তখনও যেন অজান্তেই আওড়াতে হয় কবি গুরুর কাল জয়ী বাণী বিপদে আমি যেন না করি ভয়।

আশি বছর বয়সের আয়ুস্কালের প্রায় পুরোটা সময়ই কবিগুরু খেলা করেছেন সৃজনশীলতার বিশাল ভুবনে। প্রতিটি মানুষের জায়গায় নিজেকে স্থাপন করে তার অনুভূতিগুলোকে ব্যক্ত করেছেন সাবলীলভাবে। তাই তো হয়ে উঠেছেন সবার কবি।

মুক্ত চিন্তা আর মুক্ত প্রাণের স্মারক রবীন্দ্রনাথ। বিপুল ও বৈচিত্র্যময় কর্মের বিভা ছড়িয়ে ধরিত্রীর বুকে তিনি হয়ে আছেন চির ভাস্বর।

১৮৬১ সালের পঁচিশে বৈশাখ জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারে জন্ম নেন রবিগুরু। উপমহাদেশের প্রথম নোবেলজয় করেন এই মহান বাঙালি কবি।

রবীন্দ্রনাথ অপরাজেয়। বাংলার আলো হাওয়া জলে অবগাহন করেই বেড়ে উঠেছেন তিনি।  জীবনকে দেখেছেন অনন্ত এক আনন্দযজ্ঞ হিসেবে।