চৌকি আদালত ও লাশকাটা ঘর চালু করা হবে রৌমারীতে মতবিনিময় সভায় প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন

রফিকুল ইসলাম, রাজিবপুর, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :“বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলায় শেখ হাসিনার অবদান, বিনা মুল্যে লিগ্যাল এইডে আইনি সেবাদান” এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের রৌমারীতে লিগ্যাল এইড কুড়িগ্রাম কমিটির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গতকাল (শুক্রবার) সকাল ১০ টায় উপজেলা কনফারেন্স হল রুমে লিগ্যাল এইড কমিটির আয়োজনে ও ফ্রেন্ডশিপ ইনক্লুসিভ সিটিজেনশিপ সেক্টর এর সহযোগিতায় এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন কুড়িগ্রাম জেলা দায়রা জজ ও জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির চেয়ারম্যান মুনসী রফিউল আলম।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জনাব জাকির হোসেন (এমপি)।

বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক সুলতানা পারভীন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম, সিভিল সার্জন ডা. হাবিবুর রহমান, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবু্যনালের বিজ্ঞ বিচারক (জেলা জজ) অম্স্নান কুসুম জিঞ্চু,

বিজ্ঞ চীপ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হাসান মাহমুদুল ইসলাম, বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আশিকুর কবির, পাবলিক প্রসিকিউটর কুড়িগ্রাম এসএম আব্রাহাম লিংকন, জেলা লিগ্যাল এইড অফিসার ও কুড়িগ্রাম সিনিয়র সহকারি জজ কুদরাত-ই- খোদা, রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ আব্দুলস্নাহ, রাজিবপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আকবর হোসেন হিরো,

রৌমারী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান, সহকারি পুলিশ সুপার (রৌমারী সার্কেল) মাহফুজুর রহমান, সাবেক কমান্ডার যুদ্ধাহত বীরমুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুল কাদের সরকার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নজরম্নল ইসলাম, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার নকীবুল ইসলাম, প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুর রহমান, সমাজসেবা কর্মকর্তা আরিফুল ইসলাম,

নির্বাচন কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী মোহাম্মদ জিন্নাহ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প কর্মকর্তা ডা.মোমেনুল ইসলাম, উপজেলার সকল ইউপি চেয়ারম্যানগণ, ইলেকট্রনিক্স ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকগণ, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চলনা করেন উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মাহমুদা আকতার স্মৃতি।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী জনাব জাকির হোসেন বলেন, আমার রৌমারী এলাকাবাসি ৬ ঘন্টয় ব্রহ্মপুত্র নদ পার হয়ে কুড়িগ্রাম জেলা সদরে বিভিন্ন দাপ্তরিক কাজ, মামলা-মোকাদ্দমা, রোগী, অভিযোগকৃত বিভিন্ন লাশ নিয়ে যেতে হয়। এতে আমার মেহনতি মানুষের অনেক কষ্ট সহ্য করতে হচ্ছে।

তাই যতদুর সম্ভব রৌমারীতে ছোট-খাটো মামলা নিস্পিতির জন্য চৌকি আদালত ও অপ্রীতিকর ঘটনায় নিহতের লাশ ময়না তদন্তের জন্য লাশ কাটা ঘর নির্মাণ করা হবে।