চীন-বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও দৃঢ় হয়েছে: শি জিনপিং

চীন-বাংলাদেশ কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে দুই দেশের কৌশলকে আরও সুসংহত করতে এবং যৌথভাবে বেল্ট অ্যান্ড রোডের নির্মাণ এগিয়ে নিতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদকে সাথে নিয়ে যৌথভাবে কাজ করার জন্য প্রস্তুত থাকার কথা জানিয়েছেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

দু’দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের ৪৫তম বার্ষিকী উপলক্ষে রোববার (৪ অক্টোবর) রাষ্ট্রপতি আ: হামিদের সঙ্গে অভিনন্দন বার্তা বিনিময় অনুষ্ঠানে শি এই মন্তব্য করেন।

শি জিনপিং বলেন, করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পরে চীন এবং বাংলাদেশ উভয়ই নানা সংকটের মুখোমুখি হলেও, মহামারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একে অপরকে সহায়তা করেছে এবং দ্বিপাক্ষিক বন্ধুত্বের নতুন অধ্যায় রচিত হয়েছে।

তিনি বলেন, ৪৫ বছর আগে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনের পর থেকে দু’দেশই সর্বদা একে অপরকে সম্মান জানিয়ে এসেছে। পারস্পরিক রাজনৈতিক বিশ্বাসকে বাড়িয়ে তুলেছে এবং পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করেছে যা দুই দেশের জন্যই সুস্পষ্ট সুবিধা বয়ে এনেছে।

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ তার বার্তায় বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক দ্রুত বিকাশ লাভ করছে এবং গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে, যার প্রতি বাংলাদেশ বেশ গুরুত্ব দেয়।

বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের অগ্রগতিতে চীনের অব্যাহত সহায়তার প্রশংসা করে, ভবিষ্যতে দু’দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর হবে বলে আশা ব্যক্ত করেন তিনি।

রোববার চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও অভিনন্দন বার্তা বিনিময় করেছেন।

চীনা প্রধানমন্ত্রী তার বার্তায় বলেন, চীন বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর করতে এবং চীন-বাংলাদেশ কৌশলগত অংশীদারিত্বের স্থিতিশীল এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য দু’দেশ ও তাদের জনগণের উন্নতির জন্য উৎসাহী।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সহযোগিতার কৌশলগত অংশীদারিত্ব দু’দেশের সময়ের পরীক্ষিত বন্ধুত্ব এবং সহযোগিতা থেকেই গড়ে উঠেছে।