চরম নৈরাজ্যের মুখে কোরবানিকেন্দ্রিক চামড়া বাণিজ্য

আবারো চরম নৈরাজ্যের মুখে কোরবানিকেন্দ্রিক চামড়া বাণিজ্য। আচমকা কাঁচা চামড়া রপ্তানির সরকারি ঘোষণা। এ ব্যাপারে স্পষ্ট কোন নির্দেশনা দিতে না পারলেও বাণিজ্য সচিব বলছেন, রপ্তানির জন্য যোগাযোগ শুরু করা হয়েছে বহির্বিশ্বে। তবে ট্যানারি মালিকদের দাবি, আলাপ আলোচনা ছাড়াই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। এ অবস্থায় আবারো বাজার কারসাজির আশঙ্কা করছেন অর্থনীতিবিদরা।

দেশের চামড়া রপ্তানির বাজার মূল্য এক বিলিয়ন ডলার। একসময় ইউরোপ আমেরিকায় চাহিদা থাকলেও দূষণ কাণ্ডে বন্ধ হয়েছে সে দরজা। টিকে আছে শুধু চীন, যেখানে ক্রাস্ট আর ফিনিশড চামড়াই বেচতে হয় তিন ভাগের এক ভাগ দামে।

বাংলাদেশ ট্যানার্স এসোসিয়েশন চেয়ারম্যান শাহীন আহমেদ বলেন, আমাদের সাথে কোন আলোচনা করে এই আদেশ দেয়া হয়নি। ঈদের দুইদিন আগে কাঁচা চামড়া রপ্তানির আদেশটা দেয়া ঠিক হয়নি।

কারা করবে রপ্তানি তা নিয়ে স্পষ্ট কোন ধারণা দিতে পারেননি বাণিজ্যসচিব। এমন পরিস্থিতিতে আরেক দফা নৈরাজ্যের আশঙ্কায় অর্থনীতিবিদরা।

বাণিজ্য সচিব ড. জাফর উদ্দিন বলেন, রপ্তানি ব্যবসায়ীরাই করবে। রপ্তানি তো সরকার করে না। সরকার সাহায্য করবে।

এখনও আন্তর্জাতিক ক্রেতা জোট লেদার ওয়ার্কিং গ্রুপের সনদ পায়নি দেশের কোন প্রতিষ্ঠান, ফলে কোন দেশে চামড়া রপ্তানির সুযোগ নেই বাংলাদেশের।