করোনা ভাইরাস এখনই নিয়ন্ত্রণ না করলে ঝুঁকি বাড়বে

করোনা ভাইরাস সংক্রমনের জন্য চারটি ধাপকে চিহ্নিত করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। আইইডিসিআর বলছে, বাংলাদেশ এখন দ্বিতীয় স্তরে রয়েছে। অর্থাৎ এলাকাভিত্তিক সংক্রমণ পাওয়া যাচ্ছে। তবে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসরা বলছেন, বাংলাদেশ তৃতীয় স্তরে অবস্থান করছে। এখনই নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে দেশের মানুষের জন্য ঝুঁকি বেড়ে যাবে।

৮ই মার্চ দেশে প্রথম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তি পাওয়া যায় ৩ জন। দুই সপ্তাহের ব্যবধানে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮ জনে। এরমধ্যে মারা যান ৫ জন। বৈশ্বিক বিবেচনায় বাংলাদেশের এই পরিস্থিতিকে ভাইরাস সংক্রমণের দ্বিতীয় ধাপ বলা হচ্ছে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট এলাকায় বিদেশ ফেরতদের পরিবারের সদস্যদের মাধ্যমে সংক্রমণ হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা সংক্রমণের যে চারটি ধাপের কথা বলেছে, তার প্রথমটি- আক্রান্ত কোন দেশ থেকে আসা ব্যক্তির মাধ্যমে ছাড়ায়। দ্বিতীয়টি বিদেশ ফেরত মানুষের মাধ্যমে পরিবারের সদস্য এবং নির্দিষ্ট এলাকায় সংক্রমণ হয়। তৃতীয় স্তর হলো- সামাজিক সংক্রমণ, কিন্তু উৎসা জানা যায় না। আর চতুর্থ স্তর হলো মহামারী আকারে চারিদিকে বিপুলভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা বলছেন, যেহেতু এরইমধ্যে সাধারণ মানুষের মধ্যে সীমিত আকারে ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাসের সংক্রমণ, তাই বাংলাদেশ ঢুকে পড়েছে তৃতীয় ধাপে। অর্থাৎ সামাজিক সংক্রমণ শুরু হয়েছে। যার উৎস জানা যাচ্ছে না। কিন্তু এই অবস্থানের যে নিয়ম-কানুন রয়েছে তা সঠিকভাবে মানা হচ্ছে না। ফলে, ঝুঁকি বেড়ে যাচ্ছে।

ব্যাপকহারে সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য একধাপ এগিয়ে ব্যবস্থা নেয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।

তারা বলেন, সরকারিভাবে সাধারণ ছুটি ও চলাচল সীমিত করার যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, তা মেনে না চললে বিপদ বাড়তে পারে।