করোনা ভাইরাসে প্রভাবে ব্যাংকে এলসি খোলা কমে গেছে

করোনা ভাইরাসের প্রভাবে আমদানি-রপ্তানির জন্য ব্যাংকে এলসি খোলা কমে গেছে। যেসব এলসি খোলা ছিল সেগুলোরও সরবরাহ বন্ধ। শুধু এলসি খোলাই নয়, চীনসহ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পর্যটকদের যাওয়া-আসা কমে যাওয়ায় দেশের ব্যাংকগুলোতে ডলার কেনা-বেচাও কমে গেছে। তাতে সামগ্রিক ভাবে দেশের ব্যাংকগুলোর আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

বিদেশ থেকে কাঁচামাল, যন্ত্রপাতিসহ শিল্পের আনুসাঙ্গিক জিনিসপত্র আমদানি ও রফতানি করতে ব্যাংকে ঋণপত্র বা এলসি খোলে ব্যবসায়ীরা। ব্যাংকগুলোর আয়ের বড় একটি উৎস এলসি খোলার ফি। বাংলাদেশে আমদানী করা পণ্যের এক তৃতীয়াংশ আসে চীন থেকে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের প্রভাবে চীনের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রায় বন্ধ থাকায় বাংলাদেশের আমদানি-রফতানি কমে গেছে জানুয়ারি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে।

তাতে দেশের ব্যাংকগুলোতে এলসি খোলা কমে গেছে। এতে ব্যাংকের আয়ে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তরা বলছেন, পরিস্থিতি কতদিন চলবে তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন তারা।

শুধু এলসি খোলাই নয়, ডলারের কেনা-বেচা থেকেও ব্যাংকগুলোর বড় একটি আয় আসে। করোনা ভাইরাসের কারনে চীনসহ এশিয়ার দেশগুলোতে পর্যটকদের যাতায়াত কমে যাওয়ায় মন্দা চলছে ডলার-কেনাবেচায়।

তবে চীনের সাথে নিয়মিত বাণিজ্য করা শিল্প উদ্যোক্তারা বলছেন, দেশটির ব্যবসায়ীদের সাথে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রাখছেন তারা। শীঘ্রই আমদানি-রফতানি স্বাভাবিক হবে বলে আশা তাদের।

করোনা ভাইরাসের কারনে ফেব্রুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংক বন্ধ রাখা হয়েছে চীনে।