করোনা: আল্লাহকে ডাকতে ও ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে বললেন মাশরাফি

ভয়ঙ্কর হয়ে ওঠা করোনা ভাইরাসে স্থবির হয়ে পড়েছে জনজীবন। তার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশেও। এরইমধ্যে দেশে কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ জন আর মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। এমন ভয়াবহ পরিস্থিতিতে দেশের মানুষকে করোনা নিয়ে সতর্কবার্তা দিলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।

সোমবার (২৩ মার্চ) নিজের অফিসিয়াল ফেসবুকে এক ভিডিও আপলোড করেন ৩৬ বছর বয়সী পেসার। করোনা পরিস্থিতি নিয়ে সেই ভিডিও বার্তায় মাশরাফি বলেন, ‘আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন। যদিও ‘ভাল আছেন’ কথাটা এই মুহূর্তে ঠিক বলা ঠিক কিনা, কারণ সবাই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। তারপরও কথা বলতে হবে। করোনাভাইরাস, আমরা সবাই জানি। অনেকেই কথা বলছি, সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানেই যাবেন দেখবেন, করোনা ভাইরাস নিয়ে সবাই আতঙ্কিত। এবং আতঙ্কিত না হওয়ারও কোনো কারণ নাই। পৃথিবীর সমস্ত বড় বড় দেশগুলো এখন শারীরিক, মানসিক ও সামাজিকভাবেও বিপর্যস্ত। তারা কোনোভাবেই ট্যাকল দিতে পারছে না।

নড়াইল এক্সপ্রেস বলেন, ‘এখন আমাদের কি করণীয়। আজকে যত বড় বড় দেশগুলো দেখছি, যেভাবে ভেঙে পড়ছে, আমাদের দেশটা তো এমনিতে ছোট, মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি। আমাদের যদি এরকম সংকট আসে, আল্লাহ না করুক, কি হতে পারে আমরা সবাই বুঝতে পারছি। এই মুহূর্তে করণীয় অনেক কিছু আছে, যেগুলো আমি মনে করি সবারই করা উচিৎ। এক হচ্ছে, ঘরে বসে আল্লাহকে ডাকা, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া। আল্লাহর কাছে ডাকা যে, আল্লাহ আমাদের রহমত করুন। এই ধরনের দুর্যোগ থেকে আমাদের সহযোগিতা করুন যেন করোনা না হয় এবং সবাই যেন সুস্থ থাকে।

দ্বিতীয় করণীয় কাজ কি তা নিয়ে ম্যাশ বলেন, ‘অবশ্যই অবশ্যই প্রবাসী ভাই-বোনেরা যারা বিদেশে থাকেন, আসছেন দেশে বা যারা বেড়াতে গিয়েছিলেন আর দেশে আসছেন, তাদের কিন্তু অনেক কিছু করার আছে। প্রথম হচ্ছে নিয়ম-কানুনগুলো অবশ্যই মেনে চলা। কোয়ারেন্টাইন এই শব্দটা ব্যবহার করে আমি বলব, গৃহবন্দী থাকা। সেটা পরিবার নিয়ে না, আপনি আলাদা ১৪ দিন থাকা এবং ১৪ দিন পার হওয়ার পরে যদি আপনি অসুস্থ না হোন তখন আপনার পরিবারকে নিয়ে ঘরে থাকা। যতক্ষণ না পযর্ন্ত চিকিৎসক বা সমাজের উচ্চ-পদস্থরা ঘোষণা না করছেন যে, আমরা নিরাপদ, ততক্ষণ ঘরে থাকা।