করোনাভাইরাসের আক্রমণ থেকে বাচতে কিছু সতর্কতা

বর্তমানে বিশ্বব্যাপী আতঙ্কের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে করোনাভাইরাস। এটি এমন একটি সংক্রামক ভাইরাস- যা এর আগে কখনও মানুষের মধ্যে ছড়ায়নি। এটা অত্যন্ত সংক্রামক, তাই সর্বোচ্চ প্রস্তুতির জোর আহ্বান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।

করোনাভাইরাস আক্রমণ করে মানুষের শ্বাসযন্ত্রে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা সাধারণ মানুষের মধ্যে সতর্কতা বাড়াতে কিছু পরামর্শ দিয়েছে, যা নিম্নরূপ:-

১. সাবান ও পানি দিয়ে বারবার হাত ধুতে হবে।

২. চোখ, নাক ও মুখ বারবার স্পর্শ করা যাবে না।

৩. যত বেশি সম্ভব কণ্ঠনালী ভিজিয়ে রাখতে হবে। বেশি বেশি পানি পান করতে হবে। কণ্ঠনালী যদি শুষ্ক থাকে মাত্র ১০ মিনিটেই আক্রমন মারাত্মক হতে পারে।

৪. সর্দি-কাশি হলে নাক ও মুখ ঢেকে রাখতে হবে, টিস্যু ব্যবহারের পর দ্রুত তা ফেলে হাত ধুতে হবে।

৫. কারো জ্বর বা ঠাণ্ডা হলে তার খুব কাছে যাওয়া যাবে না।

৬. জ্বর, কাশি ও শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দ্রুত ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে, ভ্রমণ করা যাবে না।

৭. মাংস ও ডিম সম্পূর্ণ সেদ্ধ করে রান্না করতে হবে।

৮. অসুস্থ পশুপাখি খাওয়া যাবে না।

৯. কর্মস্থল ও কর্মস্থলে ব্যবহার্য জিনিস দিনে অন্তত একবার পরিষ্কার করতে হবে।

১০. বাস, ট্রেন ও যেকোনও গণপরিবহণে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

জ্বর দিয়ে এই ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হয়। পরে শুকনো কাশি দেখা দিতে পারে। প্রায় এক সপ্তাহ পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়।

ঝুঁকি সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য ভাইরাস প্রতিরোধসংক্রান্ত গাইডলাইন প্রস্তুত করা হয়েছে এবং দ্রুত যোগাযোগের জন্য আইইডিসিআরে মোট চারটি হটলাইন প্রস্তুত রাখা হয়েছে। (হট লাইন নাম্বারসমূহ: +৮৮০১৯৩৭০০০০১১/ +৮৮০১৯৩৭১১০০১১/ +৮৮০১৯২৭৭১১৭৮৪/ +৮৮০১৯২৭৭১১৭৮৫) ১০. গণমাধ্যমকে এ বিষয়ে অবহিত করার জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ বিভাগের মাধ্যমে প্রেস ব্রিফিং করা হয়েছে। ১১. সব জেলার সিভিল সার্জনদের এ বিষয়ে সতর্ক থাকার জন্য এবং চিকিত্সার লক্ষ্যে প্রয়োজনে পৃথক ওয়ার্ড/বেডের ব্যবস্থা করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।