আমিরাতে করোনাভাইরাস প্রতিরোধক গেইট তৈরী করলেন বাংলাদেশী ছাত্র ফরিয়াদুল ইসলাম (প্রয়াস)

মাহাবুব হাসান হৃদয়, সংযুক্ত আরব আমিরাত: সারা পৃথিবীর মানুষ যখন করোনা ভাইরাসের সাথে যুদ্ধকরছে, ঘুম হারাম করেদিয়েছে ক্ষমতাধর দেশ সমূহের নীতি নির্ধারক থেকে সাধারণ জনগণের, ঠিক তখনি নতুন দিগন্তের উন্মোচন করলেন করোনাভাইরাস সহ সকল জীবাণুমুক্তকরণ গেটওয়ে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের অঙ্গরাজ্য রাস-আল-খাইমা বোল্টন ইউনিভার্সিটির ইলেকট্রো মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং এর শেষ বর্ষের মেধাবী ছাত্র ফরিয়াদুল ইসলাম (প্রয়াস)।

“ডিসিনফেকশন গেটওয়ে”এটি একটি আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরী জীবাণুমুক্তকরণ গেইট বলে জানান প্রয়াস এর পিতা বাংলাদেশী বিশিষ্ট ব্যাবসায়ী, শিক্ষানুরাগী “বাবকো কোম্পানি” এর স্বত্বাধিকারী আলহাজ্ব পেয়ার মোহাম্মদ। “ডিসিনফেকশন গেটওয়ে” সম্পর্কে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে তিনি বলেন দীর্ঘ গবেষণা ও পরিকল্পনার মধ্যদিয়ে আমার সন্তান প্রয়াস ইলেক্ট্রনিক জীবাণু প্রতিরোধক “ডিসিনফেকশন গেটওয়ে” প্রস্তুত করতে সক্ষম হয়। “ডিসিনফেকশন গেটওয়ে” দুইটি অপশন রয়েছে প্রথমত মানুষের শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা এবং দ্বিতীয়ত মেডিসিন স্প্রে এর মাধ্যমে জীবাণু মুক্তকরণ।

যদি কোন ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা উচ্চপর্যায়ের থাকে তাহলে এই গেইট খোলার কোনো সম্ভাবনা থাকবে না।আর যদি ব্যক্তির শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকে তাহলে গেইট খুলে যাবে তার অর্থ মানুষটি সুস্থ বলে গণ্য হবে। কারণ গেইটের সম্মুখে বসানো ডিভাইস শনাক্ত করবে করোনা সহ তাপমাত্রা জনিত রোগ।

প্রোডাকশনটি বর্তমান পরিস্থিতি তথা কোবিড-১৯ কে প্রতিরোধ করতে আমরা এটিকে বাজারজাত শুরু করেদিয়েছি ইনশাল্লাহ আমার বিশ্বাস এর সুফল আন্তে সক্ষম হবো। শুধু করোনা ভাইরাস নয়, সকল প্রকার ভাইরাস প্রতিরোধ করতে “ডিসিনফেকশন গেটওয়ে” এর আবির্ভাব।

আমরা বাজারজাত করার জন্য রাস-আল-খাইমা সরকারি ডিপার্টমেন্ট থেকে ইলেকট্রিক “ডিসিনফেকশন গেটওয়ে” কে আমাদের নিজস্ব প্রতিষ্ঠান “বাবকো গ্রুপ”এর নামে অনুমোদন নিয়েছি।

“ডিসিনফেকশন গেটওয়ে” সংযুক্ত আরব আমিরাতে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থেকে জনসাধারণকে মুক্ত রাখতে ইতিমধ্যে ৩০টির উপর “ডিসিনফেকশন গেটওয়ে” বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি কোম্পানিতে সরবরাহ করা হয়েছে।

এতেই আমরা সফলতা অর্জন করে এখন অসংখ্য কোম্পানি এই ইলেকট্রিক “ডিসিনফেকশন গেটওয়ে” অর্ডার পেয়েছি।